ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ এবং এখানে ভূমিকম্প হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে তবে সাধারণত বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে টেকটনিক প্লেট বাউন্ডারির মধ্যে এবং ভূপ্রকৃতি কে অবস্থান এর দিক দিয়ে বাংলাদেশ সেই টেকটনিক প্লেট পাউন্ড এর মধ্যে পড়ে না সেই কারণে হয়তোবা বাংলাদেশ বড় ধরনের ভূমিকম্প ঘটেনি তবে মাঝারি বা মৃদু ভূমিকম্প বাংলাদেশ কিন্তু প্রতিবছর ঘটে থাকে এবং বিভিন্ন সময়ে এটি ঘটে


সাধারণত বড় ধরনের ভূকম্পন হয়ে থাকে প্লেট বাউন্ডারির মধ্যে। যদিও বাংলাদেশ প্লেট বাউন্ডারির মধ্যে নয়, তথাপি ভূপ্রাকৃতিক অবস্থান ও বিন্যাসের স্বকীয়তা বাংলাদেশকে ভূমিকম্প মণ্ডলের আশপাশেই ফেলেছে। কোনো স্থানের ভূকম্পনের জন্য ফল্ট লাইন এবং টেকনিক স্ট্রেস ফিল্ড গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। 
বাংলাদেশকে ভূকম্পনের তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জোন হিসেবে উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু কিছু স্থান যেমন: সিলেট, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার উল্লেখযোগ্য। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সর্বাপেক্ষা কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত।
১৯৭৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যতবার পাঁচ বা তার বেশি মাত্রায় ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে, তার প্রায় সবকটির উৎপত্তিস্থল সিলেট, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এলাকায়।
১৮৯৭ সালের ১২ জুন আসাম-বাংলা অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম, মেঘালয়ের সীমান্তসংলগ্ন সিলেট, ময়মনসিংহ অঞ্চলকে উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এছাড়া ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর, ঢাকা, কুমিল্লা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু অংশ।
এর মধ্যে সিলেট বিভাগের চারটি জেলায় বড় মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। একইভাবে ময়মনসিংহ বিভাগের পাঁচটি জেলাও ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ঢাকা বিভাগের মধ্যে টাঙ্গাইল, গাজীপুর, নরসিংদী জেলার অংশ বিশেষ, পুরো কিশোরগঞ্জ জেলা এবং কুমিল্লা বিভাগের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা উচ্চমাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে আছে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার উত্তরাংশ।
 
মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে ঢাকা, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অংশ বিশেষ, চট্টগ্রাম,বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলা।
ভূমিকম্পের কম ঝুঁকিতে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের পুরো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ।


রাজধানীতে আবারো অনুভূত হল ভূকম্পন। মূলত বাংলাদেশে ভূমিকম্প এর খবর পাওয়া যায় বিভিন্ন সময়ে কিন্তু সেখানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খুবই সামান্য এবং এটির মাত্রাও অনেকটা কম থাকে যদিও ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশে ভূমিকম্প প্রবণ একটি দেশ তবে এখানে বড় ধরনের ভূমিকম্প ঘাটাল প্রবণতা অনেকাংশে কম কিন্তু ভূমিকম্প যে হবে না সেটা নয় বরং হালকা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প এখানে ঘটছে এবং বাংলাদেশের ভূমিকম্প তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল কিছু কিছু জায়গায় বিভক্ত করা হয়েছে

News Page Below Ad