বিতর্কিত কিছু পুলিশ কর্মকর্তার কারণেই গোটা পুলিশ ডিপার্টমেন্টের বদনাম হয়ে থাকে তবে সব পুলিশ কর্মকর্তারা আসলে একরকম নয় ডিপার্টমেন্টে কয়েকজন বাদে ভালো পুলিশের সংখ্যা অধিক সৎ এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যে খ্যাতি অর্জন করা যায় সেটা নজির অনেকেই তৈরি করেছেন এবং এবার তারই প্রতিফলন ঘটলো বাড্ডার জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার এলিন চৌধুরীর ক্ষেত্রে। কাজের স্বরূপ তিনি পেলেন শ্রেষ্ঠ এসির সম্মাননা




ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) শ্রেষ্ঠ এসি (সহকারী কমিশনার) নির্বাচিত হয়েছেন বাড্ডা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. এলিন চৌধুরী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজারবাগে অনুষ্ঠিত ডিএমপির মাসিক অপরাধ সভায় তাকে শ্রেষ্ঠ এসির সম্মাননা দেয়া হয়।

ডিএমপি জানায়, বাড্ডা ও ভাটারা থানা নিয়ে পুলিশের বাড্ডা জোন গঠিত। এই জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. এলিন চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি ঘোষণা করেন। শুরু থেকেই অপরাধ দমনে তিনি সর্বদা খড়গহস্ত। অপরাধ দমনের পাশাপাশি তিনি জনকল্যাণে গ্রহণ করেছেন বিভিন্ন সেবাধর্মী কর্মসূচি। অপরাধ দমন ও জনসেবার মাধ্যমে একজন সাহসী ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে মো. এলিন চৌধুরী জনগণকে কাঙ্ক্ষিত পুলিশি সেবা দিয়ে ইতোমধ্যে ডিএমপিতে সুপরিচিত হয়ে উঠেছেন। সততা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতেই তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন জনবান্ধব পুলিশিং।

বাড্ডা জোনের সিনিয়র এসি মো. এলিন চৌধুরী ২০১৪ সালে ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে এএসপি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

এই তরুণ পুলিশ কর্মকর্তার জন্ম গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া থানার কুশলা গ্রামে।

ডিএমপি সূত্র জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও পরামর্শে এবং অধস্তন কর্মকর্তা ও অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর বাড্ডা ও ভাটারা থানা এলাকায় ভূমিদস্যুদের দমন করা ছাড়াও নির্মূল, জুয়াড়িদের উচ্ছেদসহ কু/খ্যা/ত অ/প/রা/ধীচক্রের বিরুদ্ধে সময়োপযোগী ও যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে পেশাগত, নির্মোহ ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাড্ডা জোনের সিনিয়র এসি মো. এলিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। আগস্ট মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কমিশনার।

অনুষ্ঠানে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) কৃষ্ণ পদ রায়সহ ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে পুলিশের কর্মকান্ড নিয়ে মানুষ অনেক নেতিবাচক মন্তব্য করে থাকে অবশ্য এর পেছনে কারণ রয়েছে অনেক কারণ বর্তমান পুলিশের কর্মকান্ড দেখে আসলে এমনটা ভাবা স্বাভাবিক পুলিশ যেখানে জনগণের বন্ধু হওয়ার কথা এবং জনগণের সুখে-দুঃখে আপদে-বিপদে তারা পাশে এসে দাঁড়াবে এমনটাই হওয়ার কথা কিন্তু পুলিশ চলছে তার সম্পূর্ণ বিপরীত মুখে পুলিশের কিছু অসাধু ব্যক্তিবর্গরা আছে যারা সাধারণ মানুষের সুযোগ নিয়ে তার থেকে অর্থ আদায় লুটপাট করে চলেছে প্রতিনিয়ত

News Page Below Ad