সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান এর মেয়ে ঐশী খান গতকাল বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন এর সময় কোন ভাইরাস এর জাল রিপোর্ট প্রদর্শন করেন এবং এরপর থেকেই তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনার শুরুতে তারা বিষয়টি নিয়ে বুঝতে পারেনি এবং তারা জানতে পারিনি যে তিনি কোন মন্ত্রীর মেয়ে কিনা তবে আস্তে আস্তে বিষয়টি খোলাসা হতে থাকে এবং গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে উঠে আসে শাজাহান খানের মেয়ের এই কর্মকাণ্ড


করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দর থেকে ফিরতে হয়েছে সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের মেয়ে ঐশী খানকে। অনলাইনে তার করোনা রেজাল্ট পজিটিভ দেখা গেছে। যার কারণে তাকে লন্ডন যেতে দেয়নি ইমিগ্রেশন পুলিশ।

এ অবস্থায় বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ ধরনের ভুল রিপোর্ট সম্পর্কে সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনায় মানুষকে অযথা হয়রানী হতে না হয়, সেজন্য অনুরোধ জানান ঐশী খান।

অভিযোগে তিনি লেখেন, আমি ইংল্যান্ডের কোভেন্টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে আসি। করোনার কারণে আন্তর্জাতিক প্লেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে আমার পক্ষে ইংল্যান্ড যাওয়া সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক প্লেন যোগাযোগ চালু হলে ২৬ জুলাই বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে বিজি০০১ বিমানযোগে আমার ইংল্যান্ডে যাওয়ার কথা ছিল। অন্য দেশে যাওয়ার জন্য কোভিড-১৯ টেস্ট এর নেগেটিভ রিপোর্ট আবশ্যিক, সে লক্ষ্যে আমি সরকার নির্ধারিত ঢাকার মহাখালী ডিএনসিসি করোনা আইসোলেশন সেন্টারে গত ২৪ জুলাই স্যাম্পল দেই এবং ২৫ জুলাই বিকেল ৪টায় অনলাইনে আমার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে দেখতে পাই। ঐশী লিখেছেন, আমার কাজিন ও আমার বাবার ব্যক্তিগত সহকারী সৈয়দ মমসাদ উজ্জামান ডিএনসিসি’র করোনা আইসোলেশন সেন্টারে হাজির হয়ে টেস্ট রিপোর্ট সংগ্রহ করেন, সেখানেও আমার কোভিড টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। সে অনুযায়ী আমি ২৬ জুলাই ইংল্যান্ডে যাওয়ার উদ্দেশে বিমান বন্দরে হাজির হয়ে লাগেজ বুকিং দিয়ে ইমিগ্রেশন চেক করার মুহূর্তে তারা আমাকে জানায় যে, অনলাইনে আমার করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ।

তিনি আরও লেখেন, আমার করোনার কোনো লক্ষণ ছিল না, রিপোর্টও নেগেটিভ হওয়ায় আমি আমার পরিবারের সবার সঙ্গে স্বাভাবিক চলাফেরা করেছি। আমার বাবা সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ৭ বারের নির্বাচিত এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খানের সঙ্গে একই গাড়িতে বাসা থেকে বিমান বন্দরে যাতায়াত করেছি, যার ফলে আমার বাবাও করোনা ঝুঁকির মধ্যে থাকবে বলে আমিসহ পরিবার দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আছি।

কোন ভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট অর্থাৎ নেগেটিভ সনদপত্র কোথা থেকে সংগ্রহ করেছিলেন শাজাহান খানের মেয়ে সেটা নিয়ে অনেকের মনে বেধেছিল প্রশ্ন তবে সেটিও প্রকাশ্যে এসেছে ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটরী মেডিসিন এন্ড রিসার্চ সেন্টারের থেকে এই রিপোর্ট তিনি নিয়েছিলেন এ ব্যাপারে শাজাহান খানের ও একই মত তিনি জানিয়েছেন যে তার মেয়ে লন্ডনে পড়াশোনা করে এবং কোন ভাইরাসের কারণে সে সেখানে যেতে পারছিল না কিন্তু এখন সে লন্ডনে ফিরে যাবে যেহেতু করোনার সনদ লাগবে সেক্ষেত্রে তিনি রিপোর্ট করাতে গিয়েছিলেন এবং ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ভুল রিপোর্ট প্রদান করেছে

News Page Below Ad