সারা দেশে বেড়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন এবং এই পরিস্থিতিতে মানুষ অনেকটাই বিপাকে পড়ে গিয়েছে গত বছরের ন্যায় এবারো এই মহামারী ভাইরাসের কবলে পড়ে গিয়েছে বিশ্ববাসী, আওন্য সকল দেশের মত বাংলাদেশেও এই মহামারী করোনা ভাইরাসের ব্যপকতা বেশ ভালভাবেই লক্ষ করা যাচ্ছে।

আগামী ১৭ থেকে ২৩ মে বিধিনিষেধ বা ’লকডাউনে’ গণপরিবহন তথা লঞ্চ, ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস চলাচলের অনুমতি দেয়নি সরকার। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলার মধ্যে বাস চলাচল করবে। রোববার (১৬ মে) লকডাউন বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আগের শর্তের ধারাবাহিকতায় বিধিনিষেধেরমেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। গণপরিবহন নিয়ে আগের বিধিনিষেধের মধ্যে জেলার মধ্যে বাস চলার অনুমতি থাকলেও লঞ্চ, ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছিল।
ঈদের পর দূরপাল্লার বাস চলার অনুমতির জন্য পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা ঈদের দিন দেশের বাস টার্মিনালগুলোতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কথা ভেবে তাতে সাড়া দেয়নি সরকার।
আগামী এক সপ্তাহ লকডাউন শেষে করোনা পরিস্থিতির উপর বিবেচনা করে দূরপাল্লার বাস চলার বিষয়ে সরকার চিন্তা-ভাবনা করবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
তিনি বলেন, এখনই দূরপাল্লার বাস চলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। পূর্বের শর্তে আগামী এক সপ্তাহ লকডাউন চলবে। ঈদে দূরপাল্লার বাস লঞ্চ ট্রেন বন্ধ থাকায় মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক-পিকআপভ্যান এবং ফেরিতে গাদাগাদি করে বাড়ি ফিরেছে। এতে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়।


দেশে চলছে করোনা ভাইরাসের তিব্রতা এবং এই ভাইরাসের কারনে মানুষ অনেকটাই বিপদের মধ্যে রয়েছে।পার্শবর্তি দেশ ভারতে এই ভাইরাসে শক্তিশালী ভ্যরিয়ান্ট দেখা দিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এবং না ফেরার দেশে চলে গিয়েছে অনেকই এবং সে্খানে এই পরিস্থিতি চলমান রয়েছে।

News Page Below Ad