গেল কয়েকমাস আগে বাংলাদেশে হয়েছিল ব্যাপকভাবে মোদি বিরোধী আন্দোলন। আর এই মোদী বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল দেশের অনেকেই। এ দিকে সে সময় এই আন্দোলনকে ঘিরে হয়েছিল বেশ ধরপাকড়। সম্প্রতি মোদিবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থীদের ঈদের আগেই জামিনে মুক্তির দাবি জানিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আমি মামলা প্রত্যাহারের কথা বলছি না। মামলায় যদি তারা অপরাধী হয়, হবে। কথা বলা যদি অপরাধ হয়ে থাকে তবে জেল-জুলুম-ফাঁসি দিয়ে দেন।
সোমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ’উদ্বিগ্ন অভিভাবক সমাজে’র ব্যানারে এক অবস্থান কর্মসূচিতে এই কথা বলেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে গ্রেফতারকৃত ছাত্র-জনতার নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম বাবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর প্রমুখ।

গ্রেফতার হওয়ার ছাত্রদের ব্যাপারে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, তারা কী করেছে? তারা কি কাউকে খুন করেছে? কাউকে বলাৎকার করেছে, নাকি ছিনতাই করেছে? তারা মানুষের অধিকারের কথা বলেছে। এটা যদি অপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে তো আমিও সেই একই অপরাধে অপরাধী। এই ছাত্ররাই আমাদের কথা বলা শিখিয়েছে। ছাত্ররাই মানুষের অধিকারের কথা বলেছিল বলেই বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না।

অনুষ্ঠানে ছাত্রদের ঈদের আগে জামিন দেওয়ার ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে দেখা করে তাকে অনুরোধ করার কথা বলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বাংলাদেশের বিশিষ্ট সব ব্যক্তিত্বদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্বের নাম ডা. জাফরুল্লাহ। যিনি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের গণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে আসছেন। যিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এ ছাড়াও রাজনিতী নিয়েও তার নানা ধরনের ইতিবাচক কর্মকান্ড বেশ সাড়া ফেলে অনেক সময়।

News Page Below Ad