সারা বিশ্বে চলছে করোনা ভাইরাসের দাপট বিশেষকরে এই নতুন প্রজাতির ভাইরাস এর উৎপত্তি হওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যপি আবারো আতঙ্কে রয়েছে মানুষ।বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশের অবস্থা অনেকটাই নাজুক।চলমান এই ভাইরাসের সংক্রমন মোকাবেলায় লকডাউন দেওয়া হয়েহছে এবং কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে।
ঈদের আগে লকডাউন তুলে নিতে যাচ্ছে সরকার। আভাস পাওয়া গেছে, জীবন জীবিকার বিষয়টি মাথায় রেখে ঈদের সময়টায় লকডাউন না রাখার পক্ষেই মত দিয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। কিন্তু এ সময় আন্ত:জেলা বাস চালু করা হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় কাটেনি এখনও। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবনাও নেই জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির। তবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানালেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই জানানো হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

কয়েকটি ক্ষেত্রে শিথিলতা দিলেও চলমান লকডাউনে এখন পর্যন্ত বন্ধ আছে সরকারি বেসরকারি অফিস, গণপরিবহন আর দূরপাল্লার বাস। ৩ দফা বাড়িয়ে ৫ মে পর্যন্ত চলবে এ লকডাউন।

৫ মের পর ঈদের বাকি আরও ৯ দিন। তবে সরকারি অফিস খোলা রাখার সুযোগ থাকছে ৬, ৯ ও ১১ মে। বাকি দিনগুলোতে সাপ্তাহিক বন্ধ, শবে কদর ও ঈদের ছুটি। আগের দুইবার জাতীয় পরামর্শক কমিটির সুপারিশ মেনে ২ সপ্তাহ বাড়ানো হয় লকডাউন। তবে এবার লকডাউন না রাখার পক্ষে মত তাদের।

করোনা প্রতিরোধে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেন, আমরা মনে করি এখানে একটি পরিকল্পনা দরকার। অর্থাৎ কিছু বিধিনিষেধ রেখে লকডাউন তুলে ফেলা উচিত। সে লক্ষ্যে আমাদের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক যে কমিটি আছে, তারা সরকারকে ইতোমধ্যে এক্সিট প্ল্যান দিয়েছে। সরকার এ বিষয়ে কয়েকটি মন্ত্রণালয়সহ আন্ত:মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সভা করে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সেদিকে এগোচ্ছে।

সে অনুযায়ী ঈদের আগে লকডাউন তুলে নেয়া হলে বাড়বে গ্রামের বাড়িমুখী মানুষের চাপ। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ছড়াতে পারে সংক্রমণ। দূরপাল্লার বাস চলাচলে তাই কী সিদ্ধান্ত?

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেন, সময় আছে। এটি সরকারও চিন্তা ভাবনা করবে কী করা যায়। সরকারের চিন্তা ভাবনা কতটুকু কেমন, সব কিছু দেখে আমাদের একটা পরামর্শ থাকবে।

সবদিক বিবেচনা করে সরকার ঈদের আগে লকডাউনের বিষয়ে আলোচনা করছে বলে জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

তিনি বলেন, ৫ তারিখের পরে আমাদের কর্মসূচি কী হবে, চিন্তা ভাবনার পর্যায়ে রয়েছে এটা। আমরা হয়ত আগেই জানাব, ৫ তারিখের মধ্যেই জানাব।

করোনার প্রথম ঢেউ মোকাবিলায় গত বছর দুই ঈদের সময়ই বাড়ি যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

বাংলাদেশের বর্তমান করোনা ভাইরাসের সংক্রমন মোকাবেলায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন এবং দফায় দফায় লকডাউন বাড়ানো হয়েছে।চলমান রমজান মাসের শুরুতেই সারা দেশে লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে এবং কয়েকদফা বেড়েছে এই লকডাউন

News Page Below Ad