আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা অনেকটাই পাল্টে গেছে এবং মানুষের অতীতের মানসিক অবস্থা এবং চিন্তা চেতনার পরিবর্তন ঘটেছে বর্তমান নিয়ে মানুষ এখন বেশি মুখরিত হয়ে উঠেছে সেইসাথে বর্তমানে যে পরিস্থিতি সেগুলো নিয়েও মানুষের মনে নানান রকম মত-অভিমত রয়েছে ক্রমাগত চড়াই-উৎরাই পার করে মানুষ তার নিজের লক্ষ্যে চলছে এবং এটাই তাদের একমাত্র আশা থাকে যে হয়তোবা এই কঠিন বিপদের মুহূর্তে যে লড়াইটা চলছে এটা হয়তো একসময় শান্ত হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে সুন্দর সুস্থ জীবনে পদার্পণ করতে পারবেন তারা


বছর দুয়েক আগেও আমার ক্লান্ত লাগতো, অসুস্থ হয়ে যেতাম, বমিটিং লাগতো, নার্ভাস ব্রেকডাউন লুকাতে ঘর আটকে খানিকক্ষণ একা থাকতাম, খিটমিট করতাম সবার সাথে, হতাশ হয়ে ভাবতাম, অন্ধের দেশে কি কাজে লাগে বেলজিয়াম এর আয়না বিক্রয়!

এখন এসবের কিছু হয় না। হতে পারে আমার মানসিক স্থিতি বেড়েছে, বয়স আর অভিজ্ঞতা বেড়েছে, এখন ঠান্ডা আর শান্ত হয়েছি।

সংবাদপত্রের কমেন্ট সেকশন আমাকে ভীত করে না আর। আমি চারপাশে এই মুখগুলোই তো দেখি কোনও না কোনও ফর্মে। এদের মুখ আর চোখের সামনেই তো আমি বাঁচতেছি, হাঁটতেছি, কর্ম করে খাচ্ছি। এরাই তো আমার ভাই, বোন, বন্ধু, সহকর্মী। এরা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলছে অথবা আমি এদের চোখে রাখছি চোখ!

না, আসলে কিছু বদলাতে পারিনি। কিন্তু কি করবো, জীবনও তো দামী! মরে তো যেতে পারবো না।

মনে হয়, ক্রমাগত কাঁটাযুক্ত ঝোঁপঝাড়ের ভেতর দিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে জীবন পার করছি। ছঁড়ে যাচ্ছে শরীর। এবং এই জীবনই বাকীটা জীবন বহন করে যেতে হবে। আয়াম ওকে উইথ দ্যাট। হয়তো এইদেশে এই শহরে কোনওদিন আমার মেয়েটাও হয়ে যাবে "শিকার", ডুবে যাবে রণতরী- তার অজস্র ছিদ্র দিয়ে ঢুকবে নোনাপানি আমি ঠ্যাকাতে পারবো না...

কিন্তু যতক্ষন শ্বাস আছে আমার চিৎকার আমি জারি রাখব। আমি মানে কিন্তু আমরা।

জীবনের সাথে লড়াই করে যাওয়াই মানুষের অন্যতম একটি সার্থকতা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আসা নানা চড়াই-উৎরাই পার করে এরপর নিজেকে আপন লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাওয়া খুবই বড় এবং কষ্টসাধ্য একটি ব্যাপার অনেকেই তার লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই মনোবল হারিয়ে ফেলেন আবার অনেকেই হাল ছেড়ে দিয়ে বসে থাকেন তবে নিজের সাহস আর সততা এবং বিচক্ষণতা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে যারা এগিয়ে যেতে পারে প্রকৃতপক্ষে সফল মানুষ

News Page Below Ad