বাংলাদেশে আলোচনার বিষয় এখন একটিই। তার তা হলো মুনিয়া নামের সেই তরুনী যে কিছুদিন আগে আত্মহনন করে মারা যান গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে। আর সেই থেকেই এখন পর্যন্ত এই ঘটনাটি নিয়ে চলছে নানা ধরনের আলোচনা সমালোচনা। সম্প্রতি এ নিয়ে একটি বিশেষ লেখনি লিখেছেন একজন নরী সাংবাদিক। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই লেখনি তুলে ধরা হলো হুবহু:-


ধরে নিলাম মেয়েটার অনেক ছেলেবন্ধু, পোশাকের চেয়েও দ্রুত সে প্রেমিক বদলায়। প্রথমত প্রেমিকগুলো আসলে খুবই বোকা তাদের বারবার বদল করা যায়; তারা ঢাকা শহরের অলি-গলিতে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য ঘুরে বেড়ায় টাকা-পয়সা সমেত, নয়? কিন্তু এতো প্রেমিক বদলানো আর ছেলেবন্ধুর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরও মেয়েটাকে কেন আত্মহত্যা করতে হয়? ও তো প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, খুব ধুরন্ধর, ওই টাকাপয়সা হাতিয়ে নিয়ে গুলশানে ১ লাখ টাকার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতে পারতো না সুখে-শান্তিতে? নাকি ওটা খুন ছিলো? বোকা প্রেমিক আর ছেলেবন্ধুগুলো কি তবে আর মেয়েটির চালাকি সইতে পারছিল না বলেই…?? তবে আমার খুব মায়া লাগছে ছেলেগুলোর/প্রেমিকগুলোর জন্য, কী অসহায় আর বোকাগো ওরা! এই মায়া রিপোর্টগুলো পড়েই হয়েছে কিন্তু!




এ দিকে মুনিয়ার এই ঘটনায় এখন বসুন্ধরার এমডির নাম সব থেকে বেশি জড়িয়ে আছে ওৎপ্রোতভাবে। দীর্ঘদিন ধরেই মুনিয়ার ফ্ল্যাটে যাতায়ত ছিলো বসুন্ধরার এমডির। আর এই কারনে তার নামে ইতিমধ্যে করা হয়েছে মামলা।

News Page Below Ad