গোটা বিশ্বের এখনো করোনাভাইরাস মহামারী চলছে ব্যাপক আকারে। এই মহামারী মোকাবেলায় এখনো কোনো প্রতিশোধ তৈরি করতে পারেনি চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা তবে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং কিছু প্রতিষেধক অবশ্য আবিষ্কার হয়েছে যেগুলো এখনো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে তবে এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে অতীতের ভাইরাস প্রতিরোধকারী যেসব এন্টিভাইরাল ওষুধ রয়েছে সেগুলো। এমনই একটি ওষুধ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা বেশ আলোচনায় এসেছিল এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ওষুধটি প্রয়োগ করা হচ্ছে এখনও বাংলাদেশ এই ওষুধটি উৎপাদন করার পরিকল্পনা নেয় এবং ইতিমধ্যে সেটি বাস্তবায়ন তারা উৎপাদন করেছে এই ওষুধ


নাইজেরিয়ার ওয়ো স্টেট গভর্নর অ্যাবিওলা আজিমোবি কয়েক সপ্তাহ আগে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হন। কয়েকদিনের ভেতরেই তিনি কোমায় চলে যান। বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু জেনে যেতে পারেননি তার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তারই এক স্বদেশী এভাবে প্রতারণা করেছেন।

জুনের প্রথম দিকে জরুরি বিমান পাঠিয়ে নাইজেরিয়ার করোনা আক্রান্ত ওই গভর্নরের জন্য বাংলাদেশ থেকে রেমডিসিভির নিয়ে আসলগুলো না দিয়ে এক নাইজেরিয়ান প্রতারণা করেছেন বলে খবরে জানা গেছে।

নিউইয়র্ক-ভিত্তিক অনলাইন নিউজ এজেন্সি সাহারা রিপোর্টার্স শুক্রবার জানিয়েছে, মহামারীর সময়ে অবিশ্বাস্য এই কাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন নাইজেরিয়ারই এক নাগরিক।
সারা রিপোর্টার্সের প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। প্রতারণা নাইজেরিয়াতে হয়েছে বলেও উল্লেখ আছে।

জুনের ৭ তারিখ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের গার্মেন্টস মার্কেটিং কোম্পানি ভূঁইয়া ইন্টারন্যাশনালের সিইও কবির আহমেদ ভুঁইয়ার মাধ্যমে রেমডিসিভিরসহ কিছু সামগ্রী বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করে নাইজেরিয়া সরকার।

কবির আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সাই (Shi) নামের এক আইনজীবী এবং আবি (abi) নামের এক ফ্যাশন ডিজাইনার তার থেকে ওষুধগুলো নিয়ে যান। এসব এখনো আমার কানে আসেনি। আপনার কাছ থেকে প্রথম শুনলাম। আমি বিমানবন্দরে তাদের ওষুধগুলো দিয়ে এসেছি। আমার ভেতরে ঢোকার অনুমতি ছিল না।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা আক্রান্ত গভর্নরের অবস্থা খারাপ হতে থাকলে লাগোস হাসপাতাল এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে রেমডিসিভির ওষুধ সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়। প্রথমে তারা আমেরিকার টেক্সাসে বসবাসরত এক নাইজেরিয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি চেষ্টা করেও হাসপাতাল এবং মার্কিন প্রশাসনের কড়াকড়ির কারণে ওষুধটি বের করতে পারেননি। ৫০ হাজার ডলার ফেরত দিয়ে দেন। এরপরে তারা বাংলাদেশে যোগাযোগ করেন।

বাংলাদেশে থাকা ওই নাইজেরিয়ান তাদের জানান, ওষুধটি তিনি দিতে পারবেন। এরপর জরুরি বিমান আসে বাংলাদেশে। সঙ্গে তাকে দেয়া হয় ৫০ মিলিয়ন নাইজেরিয়ান মুদ্রা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ’ওই নাইজেরিয়ান যে ওষুধ সরবরাহ করেছেন তা ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে।’

এই ওষুধের সন্ধানে থাকা এক ব্যক্তি জানান, ’যুক্তরাষ্ট্রে চেষ্টা করেও আমরা ওষুধটি মেলাতে পারিনি। এক নাইজেরিয়ান আমাদের বলেছিল বাংলাদেশ থেকে এনে দেবে। সে প্রতারণা করেছে।’



চলমান এই বৈশ্বিক করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এবং অনেকেই চলে যাচ্ছে না ফেরার দেশে সম্প্রতি নাইজেরিয়ার গভর্নর করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এরপর বাংলাদেশ থেকে জরুরি ভিত্তিতে বিমানে করে নিয়ে যাওয়া হয় করোনা ভাইরাস এর ওষুধ কিন্তু সেই ওষুধ জালিয়াতি করে নকল ওষুধ প্রদান করে তারই একজন স্বদেশী

News Page Below Ad