বিয়ে একটি সামাজিক বিষয়। এই বিয়ের মধ্যে দিয়ে এক হয়ে যায় দুই মনের দুটি দেহ। এক হয়ে যায় দুটি পরিবার।একসময় নিজে পছন্দ করে বিয়ে হোক কিংবা পরিবারের লোকদের পছন্দে বিয়ে হোক, বিচ্ছেদের কথা বর বা বউ দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারত না। তারা যতই নিজেদের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে থাকুক না কেন, বিচ্ছেদ তখন কোনো সঠিক পন্থা নয় বরং চরিত্রহীনতার নামান্তর ছিল।
তবে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। বর্তমানে বর বা বউ চাইলে সমস্যার কথা আলোচনা করে বিচ্ছেদের পথে যেতে পারছে।

কিন্তু অনেকেই বিয়ের পর অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে যায়। সেই সম্পর্কের কথা টের পায় না বিবাহিত সঙ্গী। এটিকে বলা হয় প্রতারণা। সময় যতই এগোচ্ছে ততই সম্পর্কে প্রতারণার সংখ্যাও এক এক করে বাড়ছে। এই বিষয়ে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা অবাক করা তথ্য খুঁজে বের করেছে।

সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, বিয়ের পর সঙ্গীর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি প্রতারণা করছে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গীরা। কানাডার বিবাহিতদের একটি ডেটিং সাইটের সমীক্ষা থেকে এ তথ্য সামনে এসেছে।

সেই সমীক্ষা থেকেই পাওয়া ফলাফল বলছে, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে এক (২০ শতাংশ) জন তার বিবাহিত সঙ্গীর থেকে লুকিয়ে অন্য সম্পর্কে জড়াচ্ছে।

এ বিষয়ে দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে জার্মানি। ১৩ শতাংশ বাসিন্দারাই প্রতিদিন তাদের বিবাহিত সঙ্গীকে বিবেকহীনভাবে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে। তিন নম্বর স্থান অধিকার করেছে কলম্বিয়া (৮ শতাংশ)। এরপর চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ফ্রান্স (৬ শতাংশ) এবং ইংল্যান্ড (৫ শতাংশ)।

তবে অদ্ভুতভাবে অনেকেই জানিয়েছেন, যদি তাদের সঙ্গীরা নিজেদের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়ে কখনো জানান, তাহলে তারাও তাদের ওপর চড়াও না হয়ে ক্ষমা করে দিতে পারেন। নারীদের তুলনায় পুরুষরা ক্ষমা করার বিষয়ে বেশি একমত পোষণ করেছেন।

এ দিকে এই সমীক্ষাটি এখন বেশ সাড়া ফেলেছে সবখানে। সকলেই এ বিষয়টি নিয়ে করছে নানা ধরনের আলোচনা। বিশেষ করে কোনো নারী তার সঙ্গীকে আর আগের মতো বিশ্বাস করতে পারছে না বলে জানা গেছে ওই গবেষণা থেকেই।

News Page Below Ad