দেশব্যাপী এখন রাজধানীর মাস্টারমাইন্ড স্কুল শিক্ষার্থীর ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে সেই সাথে ওই ছাত্রীর এই ঘটনায় গভীর অনুসন্ধান চলছে অন্যদিকে দুই পরিবারের অভিমত মিশ্র প্রতিক্রিয়া তো আছেই আনুশকা নুরআমিন এর পরিবার এর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে দিহান এবং তার বন্ধুদের বিশেষ সুবিধা দেয়া হচ্ছে এবং তারা অদৃশ্য শক্তির উপর ভর করে রয়েছে এবং এই ঘটনার সাথে বলা হচ্ছে একজন সম্পৃক্ত ঘটনাটি আসলে তা নয় এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন সম্পৃক্ত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলছে ছাত্রীর পরিবার


সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর ঘটনা রাজধানীর কলাবাগানে মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ’ও’ লেভেলের এই ছা’ত্রীর মৃ’ত্যু র’হস্যকে কেন্দ্র করে চলছে গভীর অনুস’ন্ধান। আনুশকার সঙ্গে দুই মাস ধ’রে যোগাযোগ ছিলো অ’ভিযুক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহানের।



দিহানের নানা অ’সুস্থ হওয়ায় ঘ’টনার দিন তার মা নানাকে দেখতে বগুড়ায় যান। তাই আগের দিন মুঠোফোন ম্যাসেঞ্জারে চ্যাট করার সময় দিহান আনুশকাকে জানায় তার বাসা খালি থাকবে। চাইলে সে আসতে পারে। দিহানের বাসার দারোয়ান দুলাল আ’দালতে সা’ক্ষ্য দিয়েছেন। দুলাল আমাদের বলেছেন, দিহান ওই ছা’ত্রীকে বাসায় নিয়ে যান। প্র’বেশের বিষয়ে তিনি রেজিস্ট্রার বইয়ে কোনো ত’থ্য লেখেননি।



দিহান নিয়ে যাচ্ছে বলে দারোয়ান তাকে কিছু বলেননি। এর এক ঘণ্টা পর দিহান ইন্টারকমে যোগাযোগ করে দারোয়ানকে উপরে উঠতে বলেন। উপরে উঠে দারোয়ান দেখেন, মে’য়েটিকে সোফায় শু;ইয়ে রাখা হয়েছে। ওই সময় সোফায় "র"/;ক্ত লেগে ছিল।’ দুপুর ১টা অথবা সোয়া ১টার দিকে দিহান ওই মেয়েটিকে পাঁজাকোলা করে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে আনেন। গ্রাউন্ড ফ্লোরে পার্কিংয়ে থাকা গাড়ির পিছনের সিটে তুলে দেন দুলাল। তারপর তিনি ওই বাসায় প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ঘ’টনা বোঝার চে’ষ্টা করেন। এরপর তিনি বাসা থেকে পা;লিয়ে যান।



সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাসাটিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ছিল মেয়েটি। এ সময় র’হস্যজনক গতিবিধি ছিল তিন ব্যক্তির। পু’লিশ প্রধানের ধারণা, ।গত ৭ জানুয়ারি দুপুর ১২.১২ মিনিট। কলাবাগানে দিহানের বাসার সিড়িঘরের দিকে যাচ্ছেন ওই স্কুলছাত্রী। দুপুর একটার দিকে বাসার সামনে র’হস্যজনক গতিবিধির দেখা মেলে তিন ব্যক্তির। তবে তাদের পরিচয় বোঝার উপায় নেই। প্রায় দেড় ঘন্টা পর দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটে বাসা থেকে বের হয় দিহানের গাড়ি। এ সময়ের মধ্যেই বাসায় যা ঘ’টার ঘ’টে গিয়েছিল।



এবার রাজধানীর মাস্টারমাইন্ড ইস্কুলের ছাত্রী না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে নেমেছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এবং সেখানে অনেক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এই বিষয়ে সম্প্রতি ইস্তেখারার ফারদিনের বাড়ির দারোয়ান কথা অনেকটাই মিলেছে দিহানের কথার সাথে এবং তার বাড়ির সিসি টিভির ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে সেখানে ফুটেজ দেখে নানান রহস্যজট খুলতে শুরু করেছে















News Page Below Ad