কক্সবাজার থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনের তরফ থেকে কিন্তু সেদিন মানছে না ব্যবসায়ীরা এরপর যখন প্রশাসনের তরফ থেকে সে দোকানগুলো উচ্ছেদ করতে এসেছে বুলডোজার নিয়ে তখন অনেকেই বুলডোজারের সামনে লুটিয়ে পড়ে এবং কিছুতেই তারা এই উচ্ছেদ অভিযান মেনে নিবে না এমনটা জানান দেয় তারা বলছেন যে যদি এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকে তাহলে তারা বেকার হয়ে পড়বে এবং কর্মহীনতার ফলে তাদের পরিবার দুর্ভোগের পড়বে
পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের দফায় /দ/ফা/য়/সং/ঘ/র্ষে/ র/ণ/ক্ষে/ত্রে/ পরিণত হয়েছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট। সৈকতে অবৈধ উচ্ছেদ বাধা দিতে পুলিশের দিকে ই/ট/পা/ট/কে/ল ছো/ড়ে ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একপর্যায়ে পুলিশ লা/ঠি/চা/র্জ করে, ব্যবহার করে /টি//য়া/র/শে//ল। এসময় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন /আ/হ/ত/ হ/ন। এসময় ক/য়ে/ক রা/উ/ন্ড /ফাঁ/কা/ গু/লি/ছো/ড়ে পুলিশ।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রক্ষায় অবৈধ দোকানপাট সরাতে প্রথমে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় বেধে দেয় প্রশাসন। ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে আরো একদিন সময় বাড়ানো হয়। বেধে দেয়া সময় শেষ হওয়ায় শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টের ৫২ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নামে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এসময় কাফনের কাপড় পরে বুলডোজারের সামনে দাঁড়ায় ব্যবসায়ীরা। মাটিতে /লু/টি/য়ে পড়েন অনেকে । কোনো অবস্থাতেই স্থাপনা উচ্ছেদ করতে না দেয়ার লক্ষে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তারা।
ব্যবসায়ীদের দাবি, পুনর্বাসন না করে এই অভিযান প্রায় ৫ হাজার পরিবার বেকারত্বের দিকে ঠেলে দিবে। থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কক্সবাজারের পৌর মেয়র মুজিবর রহমান।
গত ১ অক্টোবর হাইকোর্টের করা রুল ও স্থগিতাদেশ খারিজ করে দেয় আদালত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের নির্দেশ পালনে উচ্ছেদ অভিযানে নামে জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়নসহ পুলিশ প্রশাসন।



এবার কক্সবাজার সুগন্ধা বিচে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। সেখানে পুলিশের সাথে ব্যবসায়ীদের মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়েছে এবং ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া চলছে সেখানে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রক্ষায় অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন সেটির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে ব্যবসায়ীরা এবং কোনভাবেই তারা স্থাপনা উচ্ছেদ করতে দেবেনা

News Page Below Ad