দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার অনেক সরঞ্জাম এখনো বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যায় সেইসাথে ওই সময়ে সংঘটিত হওয়া বিভিন্ন ঘটনার সাক্ষী এবং নিদর্শনগুলো এখনো মানুষের চোখে মিলে বহু বছর আগে ঘটে যাওয়া এত বড় একটি ঘটনার বিভিন্ন নিদর্শন এখনো মাটি খুললে পাওয়া যায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাটি খোঁড়া ফলে ওই সময়কার বিভিন্ন নিদর্শন এবং যন্ত্রপাতিগুলো উঠে আসে এবং সেগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে


লালমনিরহাটে পুকুর খুঁড়তে গিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি যুদ্ধ বিমানের বিধ্বস্ত অংশ উদ্ধার করেছে বিমান বাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এ সময় বেশ কিছু গুলিও উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের গুড়িয়াদহ গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করেন বিমান বাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

তারা দাবি করেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় একটি যুদ্ধ বিমানের ধ্বংসাবশেষ এটি। এর আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের গুড়িয়াদহ দাড়ারপাড় গ্রামের রেজাউলের পুকুর খনন করতে গিয়ে এটি দৃশ্যমান হয়।


পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিজের জমিতে পুকুর খনন শুরু করেন গুড়িয়াদহ দাড়ারপাড় গ্রামের রেজাউল। একপর্যায়ে শুক্রবার বিকেলে একটি বিমানের পেছনের অংশের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পান শ্রমিকরা। এ সময় স্থানীয়দের দেয়া খবরে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জায়গাটি দখলে নিয়ে খনন কাজ বন্ধ করে দেন। সংশ্লিষ্ঠ দফতরগুলোতে খবর পাঠায় পুলিশ।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বিমান বাহিনী লালমনিরহাট ইউনিট, লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথ ভাবে বিমানটির উদ্ধারে খনন কাজ শুরু করে। এরই মাঝে বিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে পাইলটের ব্যবহৃত আংটি, বেশ কিছু গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেন।



ধারণা করা হচ্ছে- ১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত মার্কিন যুদ্ধ বিমান এটি।মৃ/ত/ পাইলটের ব্যবহৃত আংটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লে. মাসুদ বলেন, স্থানীয়দের খবরে খনন করে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। উদ্ধার শেষ হলে যাবতীয় তথ্য তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং করা হবে। তবে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত মার্কিন যুদ্ধ বিমান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।



লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, বিমানবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

বিভিন্ন সময় মাটি খননের ফলে দেখা যায় বিভিন্ন পত্র তাত্ত্বিক নিদর্শন এর দেখা পাওয়া যায় আগের আমলের রাজা বাদশা কিংবা অন্যান্য যারা ছিলেন তাদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র স্বর্ণালঙ্কার কিংবা টাকা পয়সা অনেক কিছুই মাটির নিচ থেকে পেয়েছেন অনেকে বছরের-পর-বছর তারা চলে যাওয়ার পর সেগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকতে থাকতে একসময় নিশ্চিহ্ন হয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে এবং সেগুলো পরবর্তীতে বর্তমান প্রজন্মের মানুষজন মাটি খননের মাধ্যমে ফিরে পাচ্ছে

News Page Below Ad