গোটা দেশের বিভিন্ন জেলায় আনাচে-কানাচে ঘটে চলেছে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা এবং এসব ঘটনা দিনের পর দিন মানুষ দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছেন এবং নিজের অজান্তেই নিজের মধ্যে ধারণ করছেন এ সকল কর্মকান্ড এবং পরবর্তীতে তারাও এ ধরনের কর্মকাণ্ড কে উৎসাহিত হচ্ছে সমাজের ধরনের কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়াতে মুখে পড়েছে সুশীলসমাজ বর্তমান সময়ে নারীদের যে অবস্থা অর্থাৎ তাদের নিরাপত্তা জনিত যেসব কারণ রয়েছে সেগুলো আবার ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে




কুড়িগ্রামের উলিপুরে সন্তানের সামনেই এক মাকে সারা রাত ধরে /ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার তবকপুর ইউপির রাজারঘাট গ্রামের আবু বক্কর, তার সহযোগী একই এলাকার সেফাত উল্লার ছেলে কায়সার আলী, ফকর উদ্দিনের ছেলে সোবহান আলী লিটন ও আবুল হোসেনের ছেলে মমিনুল ইসলাম।
এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উলিপুর থানার ওসি (তদন্ত) রুহুল আমীন। তিনি বলেন, ’শনিবার গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
এর আগে, গত শুক্রবার রাতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ।
মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি এক সন্তানের মা। স্বামীর অনুপস্থিতিতে প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীর ছেলে ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম তাদের বাড়িতে আসতেন এবং তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতেন। একপর্যায়ে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স//ম্প//র্ক/ গড়ে তোলেন রবিউল।
২৫ সেপ্টেম্বর রাতে রবিউল তাকে নতুন করে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন। এরপর তিনি দেড় বছরের সন্তানকে নিয়ে উলিপুর বাজারে রবিউলের সঙ্গে দেখা করেন।
উলিপুর বাজারে যাওয়ার পর একটি অটোরিকশায় ওই গৃহবধূকে উপজেলার তবকপুর ইউপির রাজারঘাট গ্রামের আবু বক্করের ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যান রবিউল। সেখানে একটি ঘরে আটকে রেখে তাকে সারা রাত ধরে /পা/লা/ক্র/মে/ ধ/র্ষ/ণ করে রবিউলের বন্ধু কায়ছার আলী, সোবহান আলী লিটন, মমিনুল ইসলাম। পরদিন সকালে ওই গৃহবধূকে ঘরের মধ্যে একা রেখে তারা পালিয়ে যান।
ওসি রুহুল আমীন বলেন, ’শুক্রবার রাতে ওই গৃহবধূ মামলা করার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি রবিউলকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এছাড়া গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’


সম্প্রতিক সময়ে দেশে দেখা যাচ্ছে যে একটার পর একটা ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা একটা শেষ না হতেই অন্যটা এসে হাজির হচ্ছে মানুষের চোখের সামনে এবং এই সকল ঘটনা গুলো একের পর এক ঘটার কারণে সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং এই মুহূর্তে তারা সব থেকে বেশি যে বিষয়টি নিয়ে ভাবছি সেটি হচ্ছে নারীদের নিরাপত্তা এবং সকল ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের অচিরেই যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয় এ দাবি জানাচ্ছে তারা

News Page Below Ad