দেশে আলোচিত যে বিষয়টি এখন সেটি হল ভুয়া করোনাভাইরাস এর সার্টিফিকেট দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে কিছু কতিপয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। করোনা ভাইরাস এর শুরুতে মানুষকে এই ভাইরাস পরীক্ষা এবং বিভিন্ন সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করার একটা ভাব দেখিয়ে তারা প্রতিনিয়ত প্রতারণা করে গেছেন সবার কাছ থেকে। যে কেজি হেলথ কেয়ার এর চেয়ারম্যান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল ডঃ সাবরিনা আরিফ চৌধুরী কে মূলত তিনি নিজেকে মাঝেমধ্যেই এই পরিচয় পরিচিত করতেন বিভিন্ন মানুষের কাছে যার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়

ডা. সাবরিনা চৌধুরী জেকেজির চেয়ারম্যান নন, ছিলেন অনারারি উপদেষ্টা। গুলশান থানায় ওভাল গ্রুপের অ্যাকাউন্টেন্টের বিরুদ্ধে দায়ের করা জিডিতে নিজেই সেই পরিচয় দিয়েছেন। তবে তার চেয়ারম্যান হওয়ার কোনও প্রমাণ পায়নি পুলিশ। গোয়েন্দা বিভাগ জানায়, শিগগিরই দেয়া হবে, চার্জশিট।

ডা. সাবরিনা চৌধুরী বরাবরই দাবি করেছেন, জেকেজি হেলথকেয়ারের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ওভাল গ্রুপের কর্ণধার স্বামী আরিফ চৌধুরী তাকে চেয়ারম্যান বলে ডাকতো। চেয়ারম্যান নন দাবি করলেও, নিজেকে পরিচয় দিতেন জেকেজির অনারারি উপদেষ্টা হিসেবে। যার একটি প্রমাণ এসেছে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের হাতে। কয়েক মাস আগে গুলশান থানায় জিডি করেন, ওভাল গ্রুপের অ্যাকাউন্টেনের বিরুদ্ধে। সেই জিডি কপিতে দেখা যায়, ওভালের হিসাবরক্ষক তার চেকবই, টি সার্টিফিকেট ও সরকারি সিল আটকে রেখেছে। অভিযোগ ছিলো, মাসুম বিল্লাহ তার সিল অনুমতি ছাড়াই ব্যবহার করছিলেন। গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, নথিতে সাবরিনা চৌধুরীর জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁওয়ের ডিসি জানান, রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। খুব শিগগিরই দেয়া হবে চার্জশিট। দুই দফায় পাঁচদিন রিমান্ড শেষে ডা. সাবরিনা এখন কারাগারে।

সাধারণ মানুষের সাথে করোনা ভাইরাস এর এই ক্রান্তিকালে প্রতারণার অভিযোগে এবং কোন ভাইরাসের ভুয়া রিপোর্ট প্রদানের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়ার জন্য সরাসরি দায়ী করা হয় যে কেজি হেলথকেয়ার কে শুধু যে কেজি নয় দেশে এমন আরও অনেক ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা এইরকম অবস্থার মধ্যেও প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল জেপিজি হেলথ কেয়ারের নির্বাহী পরিচালক আরিফুল হক চৌধুরীকে এবং এরপর তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার স্ত্রী সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়

News Page Below Ad