সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় এই করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেও চুরির ঘটনা ঘটছে দেশের মানুষ যখন করোনা ভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং গোটা বিশ্বে এটি প্রভাব বিস্তার করেছে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মধ্যমা এর মানুষগুলো। দীর্ঘদিন দেশের চলমান এই করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যেও চোরেরা সুকৌশলে নিজেদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সুযোগ পেয়ে মানুষের মূল্যবান জিনিস তারা চুরি করছেন সারাদেশে চলছে এই একই চিত্র তবে রাজধানীতে সম্প্রতি একটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে পাপ কাজ সম্পাদন করতে টাকা জোগাড় করতেই অর্ধ কোটি টাকার দামের ঘড়ি মাত্র ১৮০০ টাকায় বিক্রি করে দেয় চোর চক্র

বাজে কাজের টাকা জোগাড় করতেই ৫০ লাখ টাকার ঘড়ি ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি করে চোরচক্র। রাজধানীর বারিধারায় গেল ৯ জুন গ্রিলকেটে চুরির পর এমন জলের দামে ঘড়ি বিক্রি করে দেয় চোর। থানায় মামলা দায়েরের পর তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান চলছে।

বারিধারার পার্ক রোডের অভিজাত এক ফ্ল্যাটে ৯ জুন ভোরে গ্রিল কেটে ঘটে চুরির ঘটনা।

নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, চুরি করার সময় বাড়ির মালিক টের পেলে পাশের খালি জায়গা দিয়ে পালিয়ে যায় চোর। নিয়ে যায় কোটি টাকা দামের একটি ঘড়িসহ মোট পাঁচটি ঘড়ি এবং দুইটি সেলফোন। সব মিলিয়ে খোয়া যায় দেড়কোটি টাকার মালামাল।




ঘটনার পর ২৩ জুন গুলশান থানায় মামলা দায়ের হয়। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে চোর শনাক্ত করে পুলিশ। তবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না তার পরিচয়।

পরবর্তীতে বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে চোরের বোনকে আটক করা হয়। বোনের দেয়া তথ্যে দক্ষিণখান থেকে আটক হয় অভিযুক্ত মিজান। এরপর তার দেয়া তথ্যে মতে আটক হয় আরও দুইজন। উদ্ধার হয় তিনটি ঘড়ি, ২টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১ লাখ ৩ হাজার টাকা। তবে পাওয়া যায়নি ২টি ঘড়ি। যার মধ্যে একটি ঘড়িতে সোনা থাকায় সেটি ১ লাখ ৩ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়। আর বাজে কাজের টাকা জোগাড় করতে ৫০ লাখ টাকার ঘড়ি বিক্রি করে দেয়া মাত্র ১ হাজার ৮০০ টাকায়।


এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রধান আসামি মিজান বাজে কাজ করার জন্য চুরি করে। তার যে সিন্ডিকেট তার সঙ্গেই বাজে কাজ করে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে যুবকরা ছিঁচকে ছিনতাই বদলে এ ধরণের অপরাধ বেশি করছে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

আমিনুল ইসলাম বলেন, কোনো অপরাধীই অপরাধ করে পার পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গ্রেফতার মিজানের বিরুদ্ধে এর আগেও চুরির মামলা রয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের ধরতেও অভিযান চলছে বলে জানায় পুলিশ।



দেশে চলছে করানো ভাইরাসের ক্রান্তিকাল এরইমধ্যে মানুষ রয়েছে খুবই বিপর্যস্ত অবস্থার মধ্যে করোনা ভাইরাস এর ভয় সঠিক চিকিৎসা পাওয়া নিয়ে সন্দেহ মানুষের মনকে এমনিতেই ভীত করে তুলেছে তবে দেশের এই ক্রান্তিকালে ও অসাধু কিছু মানুষ রয়েছে যারা এত কিছুর মধ্যেও নিজেদের অপকর্মগুলো করতেই ব্যস্ত তাদের করো না ভয় বা প্রাণের ভয় কোনটাই নেই। মানুষের এই চরম দুঃসময়েও তারা নিজেদের কর্মকাণ্ড করতেই ব্যস্ত।

News Page Below Ad